ফখর-বাবরে সিরিজ পাকিস্তানের

241

ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি এল ফখর জামানের ব্যাট থেকে। বাবর আজম খেললেন সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংস। এই দুই ব্যাটারে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জিতে নিল পাকিস্তান।

বুধবার সেঞ্চুরিয়ানে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ২৮ রানের জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। সুবাদে ২-১ এ সিরিজ নিজেদের করল দলটি।

আগের ম্যাচে ১৯৩ রানের ইনিংস খেলা ফখর এদিন ১০১ রান করেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে যা তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। বাবর আজম খেলেন ৯৪ রানের ইনিংস।

সুবাদে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান ৭ উইকেটে ৩২০ রানের পুঁজি গড়ে। জবাবে ৪৯.৩ ওভারে ২৯২ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।

স্বাগতিকেরা এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিল তাদের শীর্ষ পাঁচ ক্রিকেটার ছাড়াই। আইপিএল খেলতে ভারতে উড়ে যাওয়ায় এ ম্যাচে ছিলেন না কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলার, কাগিসো রাবাদা, আরনিক নরকিয়া ও লুঙ্গি এনগিদি।

সেই দলের বিপক্ষে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও ফখরের ব্যাটে এদিন দুর্দান্ত শুরু পায় পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন ২১.২ ওভারে ১১২ রান যোগ করেন। ইমাম ৭৩ বলে ৫৭ করে ফিরলে এই জুটির পতন হয়।

তবে ফখর সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১০৪ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় খেলেন ১০১ রানের ইনিংস। শেষ দিকে বাবর ও হাসান আলির নৈপুণ্যে তিন শ পেরোনো স্কোর পায় অতিথি দলটি।

বাবর ৮২ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৪ রান করেন। হাসান ১১ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৩২ রানে অপরাজিত থাকে। হাসানের হার্ড হিটিং ব্যাটিংয়ে শেষ ১৬ বলে ৫৫ রান তুলে পাকিস্তান।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কেশব মহারাজ ৪৫ রানে ৩ টি ও আইডেন মারকরাম ৪৮ রান খরচায় ২ উইকেট নেন।

এমন বড় লক্ষ্য ছুঁতে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের কারো তিন অঙ্কের স্কোর পেতে হতো। কিন্তু পাকিস্তানি বোলাররা তা হতে দেয়নি। তাই তো ইয়ানেমান মালানকে থামতে হয় ৮১ বলে ৭০ রান করে।

টানেন ভেরেইন ৫৩ বলে ৬২, আন্দিলে ফেলুকওয়ায়ো ৬১ বলে ৫৪ রানে ফিরে যান। পাকিস্তানের পক্ষে শহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নওয়াজ সর্বাধিক ৩টি করে উইকেট নেন।

ম্যাচসেরা হয়েছেন বাবর আজম, সিরিজ সেরা ফখর জামান। শনিবার শুরু হবে দুই দলের চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.