যৌন হয়রানি রোধে নির্দেশনার পদক্ষেপ জানতে চায় হাইকোর্ট

25

শিক্ষাঙ্গনসহ দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নারী ও শিশুদের প্রতি যৌন হয়রানি প্রতিরোধে এক যুগের বেশি সময় আগে উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দেয়া হয়েছে।

আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে করা একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে রবিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক সচিবকে তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আদালতের আসকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন ও সৈয়দা নাসরিন।

কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের নির্দেশনা চেয়ে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে করা একটি রিট আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে ২০০৯ সালের ১৪ মে এক রায়ে হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অভিযোগ গ্রহণের জন্য যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়।

রিট আবেদনকারী আইনজীবীদের অভিযোগ এক যুগ আগে হাইকোর্টের দেওয়া এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় গত বছরের ২১ অক্টোবর এ আবেদনটি করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.